• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

পাম্পে তেল নেই, ফিরে যাচ্ছে ক্রেতারা

সিসি নিউজ ডেস্ক।। ডিপোগুলো থেকে ফিলিং স্টেশনের জন্য পেট্রল, অকটেন ও ডিজেলের বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর তেল না পেয়েই ফিলিং স্টেশন ত্যাগ করতে হচ্ছে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার-চালকদের।

আজ সোমবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে পাঁচটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে চারটিতেই তেল পাওয়া যায়নি। মাত্র একটি স্টেশনে তেল পাওয়া গেলেও সেখানে প্রায় আধা কিলোমিটার দীর্ঘ হয়েছে অপেক্ষার সারি।

তেজগাঁও এলাকার ক্লিন ফুয়েলের একটি পাম্পে তেল ধারণ (লোড) করতে থাকা প্রাইভেট কারচালক বলেন, ‘সকাল ১০টা থেকে অপেক্ষায় থাকতে থাকতে দুপুর দেড়টায় ১০ লিটার তেল সংগ্রহ করতে পারলাম।’

এই স্টেশনের একজন কর্মী জানান, রেশনিং চালুর পর তাঁদের চাহিদা দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার লিটার। কিন্তু অকটেন, ডিজেলসহ দৈনিক পাওয়া যাচ্ছে ২২ হাজার লিটার।

পাশে সাউদার্ন ফিলিং স্টেশনের বিক্রয়কর্মী আরিফ বলেন, গতকাল রোববার বিকেল ৪টায় যে পরিমাণ তেল দিয়ে গেছে, আজ সকাল ৯টার মধ্যে তা শেষ হয়ে গেছে। তখন কয়েক শ গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফিরে গেছে। আজ বিকেলে আবার তেলের লরি বা ট্যাংক আসছে।

ডিপো থেকে তেলের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে আরিফ বলেন, ‘সংকট শুরুর আগে দৈনিক ২৭ হাজার লিটার তেল পেতাম। রোববার দিল ১৩ হাজার লিটার। ফলে ক্রেতা ফিরে যাওয়াই স্বাভাবিক।’

পাশের আরেকটি ফিলিং স্টেশন সততার ব্যবস্থাপক বলেন, ‘গত তিন দিন কোনো তেল দেয়নি ডিপো থেকে। আমাদের দৈনিক ১৩ হাজার লিটার চাহিদা থাকলেও বিকেলে ৪ হাজার লিটার দেবে বলে জানতে পারলাম।’

একই পরিস্থিতি দেখা গেছে সাতরাস্তায় সিটি ফিলিং স্টেশনে। দুপুরে সেখানে অলস সময় কাটানো কর্মীরা জানান, গতকাল দিবাগত রাত ২টা নাগাদ তাঁদের তেল শেষ হয়ে যায়। ১৮ হাজার লিটার চাহিদা থাকলেও আজ বিকেলে সরবরাহ করা হয় ৯ হাজার লিটারের মতো।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে দেশে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হতে পারে আশঙ্কায় সরকার ডিজেল, অকটেন ও পেট্রল রেশনিং শুরু করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় মোটরসাইকেলের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার ও ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রল সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসইউভি, জিপ ও মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা যাবে। উৎস: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ